পিডিবির সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রী-ছেলে কারাগারে


পুত্রবধূর করা যৌতুক ও নির্যাতনের মামলায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. হযরত আলীর স্ত্রী নাজমা সুলতানা ও ছেলে মুনতাসীর মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। রমনা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে জামিন মেলেনি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে জামিন আবেদনের শুনানির জন্য আগামী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন আদালত।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশিকুর রহমান জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আসামিদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেছিলেন। আদালত তাদের কারাগারে পাঠিয়ে জামিন শুনানির জন্য রোববার দিন রেখেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৭ আগস্ট আরাফাত ইরিন ঐশী যৌতুকের জন্য মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত নাজমা সুলতানা ও মুনতাসীর মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

অন্যদিকে মামলার অপর দুই আসামি হযরত আলী ও মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়। তাদের আগামী ৪ অক্টোবর আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরোয়ানার পর বুধবার রমনা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাজমা সুলতানা ও মুনতাসীর মামুনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলায় ইরিন ঐশীর অভিযোগ, মুনতাসীর মামুন নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য তার বাবার কাছ থেকে এক কোটি টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দিতেন। টাকা দেওয়ার জন্য তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

বাদীর দাবি, তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত—এ কথা জানার পরও আসামিদের নির্যাতন বন্ধ হয়নি। সংসার টিকিয়ে রাখা ও মেয়ের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তার বাবা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে চার দফায় এক কোটি টাকা দেন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর ওই টাকা দেওয়া হয় বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এক কোটি টাকা দেওয়ার পরও আসামিদের অর্থের চাহিদা অব্যাহত ছিল বলে অভিযোগ করেছেন ইরিন ঐশী।

এমডিএএ/ইএ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *