গ্যাস–সংকটে নরসিংদীতে উৎপাদন বন্ধ তিন শতাধিক কারখানায়
প্রথম আলোর নরসিংদী প্রতিনিধি জানান, গ্যাসের সংকটে নরসিংদীর ছোট–বড় শতাধিক শিল্পকারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের বসে থাকতে হচ্ছে। বাসাবাড়িতেও চুলা জ্বলছে না। সিএনজি পাম্পেও দীর্ঘ হচ্ছে যানবাহনের সারি।
শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এক সপ্তাহ ধরে গ্যাসের চাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে আছে। কখনো কখনো তা শূন্যে নেমেছে। এত দিন বিকল্প পদ্ধতিতে অন্তত ১০ শতাংশ উৎপাদন হলেও কয়েক দিন ধরে উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন শিল্পকারখানার মালিকেরা। সারা দেশে স্থানীয় কাপড়ের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ জোগান দেয় এই জেলার বস্ত্রকলগুলো। জেলায় টেক্সটাইল, ডাইং ও স্পিনিং মিলের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি রাশিদুল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস না পাওয়া ছোট–বড় তিন শতাধিক শিল্পকারখানায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
নরসিংদী শহর ও আশপাশের এলাকায় যেসব কারখানায় উৎপাদন বন্ধ আছে, সেসব কারখানার মধ্যে রয়েছে চিশতিয়া সাইজিং মিল, ইয়ামিন সাইজিং মিল, মমিন সাইজিং মিল, হোসেন ডাইং অ্যান্ড ক্যালেন্ডারিং মিল, আবেদ টেক্সটাইল মিলস, শিল্পী ডাইং, নদী–বাংলা সাইজিং মিল, ভূঁইয়া টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যালেন্ডার মিলস। এ ছাড়া মাধবদীর আমানত শাহ গ্রুপ ও পাকিজা গ্রুপের একাধিক কারখানা, এমএমকে ডাইং, মুক্তাদিন ডাইং, মাধবদী ডাইংসহ বেশ কিছু কারখানা বন্ধ আছে।
