ঢাকায় তৃতীয় জাতীয় মানবাধিকার অলিম্পিয়াডে সুইস রাষ্ট্রদূত পুরস্কার বিতরণ করেন।
সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘এর উদ্দেশ্য সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ—আপনাদের মতো তরুণদের মানবাধিকারসংক্রান্ত বিষয়, অঙ্গীকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।’
আলবার্টো জিওভেনেত্তি বলেন, বাংলাদেশে মানবাধিকারের প্রসারে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, সুশীল সমাজ, মানবাধিকার সংস্থা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের সঙ্গে সুইজারল্যান্ড কাজ করে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকৃত অর্থেই কার্যকর, স্বাধীন ও ক্ষমতায়িত করার জন্য সুইজারল্যান্ড দীর্ঘদিন ধরে জোরালো সমর্থন দিয়ে আসছে।
হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ১৬টি অধিকারের কথা বলা হয়েছে। কোনোক্রমে এসব অধিকার লঙ্ঘিত হলে সেগুলো জুডিশিয়ালি এনফোর্সেবল (আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে)।
