তিন বছরে ৬৮ তথ্য ফাঁসের ঘটনা, জবাবদিহি কিংবা শাস্তির নজির নেই
প্রতিবেদনটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো, তথ্য ফাঁসের ঘটনা শনাক্ত করার সক্ষমতা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে খুবই সীমিত। বেশির ভাগ ঘটনায় বাইরের সাইবার নিরাপত্তা গবেষক, ডার্ক ওয়েব মনিটরিং প্রতিষ্ঠান কিংবা সংবাদমাধ্যম প্রথমে তথ্য ফাঁসের বিষয়টি শনাক্ত করেছে। এরপর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানতে পেরেছে।
টিজিআই বলছে, বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের ২৪ ঘণ্টার সাইবার নিরাপত্তা তদারকি বা সক্রিয় হুমকি অনুসন্ধানের ব্যবস্থা ছিল না। এর ফলে কোনো সিস্টেমে দুর্বলতা তৈরি হওয়ার পর সেটি ব্যবহার করে তথ্য বের করে নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করার সুযোগ থাকছে না।
দেশে জাতীয় নিরাপত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং ডিজিটাল জীবনযাত্রাকে সুরক্ষার মাধ্যমে নিরাপদ সাইবার স্পেস প্রতিষ্ঠা করতে গঠন করা হয়েছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (এনসিএসএ)। সংস্থাটির সূত্র বলছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৬ হাজার ডোমেইন এনসিএসএ তদারক করে। তবে পোর্টালগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের।
সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. তৈয়বুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আগে সরকারি পোর্টাল সংরক্ষণ ও পরিচালনা (হোস্টিং) ব্যবস্থায় নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল। সম্প্রতি বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেডে (বিডিসিসিএল) হোস্টিং করা হয়েছে এবং সেখানে কয়েক স্তরের সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে। তিনি আরও বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানে দক্ষ কারিগরি জনবলের ঘাটতি রয়েছে, যা সরকারি তথ্যব্যবস্থার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি।
