গত বছরের শেষ দিকে ৩৪ কনটেইনারে ৯৩৫ টন খেজুর আমদানি হয়। উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বিভাগের মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় এসব খেজুরের চালান খালাস করা হয়নি।
এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, খেজুর, কমলা, পেঁয়াজ, কাজুবাদাম, সোডা অ্যাশ, ফিড গ্রেড লাইমস্টোনসহ ১২৬ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে। মূলত চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলাম-অযোগ্য ও মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের উদ্যোগে চট্টগ্রাম বন্দর রিপাবলিক ক্লাবের পেছনে নির্ধারিত স্থানে এসব পণ্য ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়। ধ্বংসের কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে জানান, গত বছরের শেষ দিকে খেজুরসহ অন্যান্য ফলের চালানগুলো আমদানি হয়। ৩৪ কনটেইনারে ৯৩৫ টন খেজুর এসেছে। মূলত প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন বা উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ বিভাগের মান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ায় অর্থাৎ নিম্নমানের হওয়ায় এসব ফল খালাস করা হয়নি।
