অনার্সে ২ বছর জাপানে পড়ার সুযোগ পাবেন ইবি শিক্ষার্থীরা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীদের জাপানে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরিতে প্রস্তাবিত ‘২+২’ একাডেমিক প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এর আওতায় চার বছর মেয়াদি অনার্সের প্রথম দুই বছর ইবিতে এবং শেষ দুই বছর জাপানের অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাংলোর সভাকক্ষে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে জাপানের প্রতিনিধি দলের বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে একাডেমিক সহযোগিতা, শিক্ষার্থী বিনিময় ও যৌথ শিক্ষা কার্যক্রম জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
সভায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মনজুরুল হক এবং সব অনুষদের ডিনরা।জাপানি প্রতিনিধি দলের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্ট ওকায়ামা মেডিকেলের সিইও ও মালিক ডা. সেইজি ইশিমোতো, জেনারেল ইনকর্পোরেটেড অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক ইয়োতা শিগে মোরি, জেনমিরাই এডুকেশনাল গ্রুপের সিইও ইয়াসুহিরো কাওয়ামোতো এবং ওকায়ামা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জিয়াউল করিম।
শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে জাপানি প্রতিনিধি দল স্কলারশিপ প্রদান ও টিউশন ফি ছাড়ের বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। একইসঙ্গে, জাপানে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়েও সভায় ইতিবাচক আলোচনা হয়।
সভায় উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “যৌথ টু-প্লাস-টু গ্র্যাজুয়েশন কোর্স সফলভাবে চালুর পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একটি ‘মডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ ইনস্টিটিউট’ স্থাপন করা হবে, যেখানে দ্রুতই জাপানিজ ভাষা কোর্স চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে।”
জাপানি প্রতিনিধি দল জানায়, তারা জাপানি ভাষা কোর্স সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি গ্র্যাজুয়েশন শেষে শতভাগ চাকরির নিশ্চয়তা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পূর্বে এ উদ্যোগ সফল হওয়ায়, এবার একটি স্বনামধন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তারা।
