‘আইগামো-রোবো’ প্রযুক্তিটি নতুন হলেও ধারণা পুরোনো। মূলত জাপানের ঐতিহ্যবাহী আইগামো জৈব চাষ পদ্ধতিকে ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে এটি।


জাপানে জৈব পদ্ধতিতে চাষের জমির পরিমাণ ১ শতাংশের নিচে। অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় এটি অত্যন্ত কম। জাপানের টেকসই কৃষিসংক্রান্ত ‘মিদোরি’ কৌশলে ২০৫০ সালের মধ্যে মোট কৃষিজমির প্রায় ২৫ শতাংশে জৈব চাষ করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

ধানখেতের বিশাল আয়তন বিবেচনায় রাসায়নিক, শ্রম ও পরিবেশগত কম চাপ সৃষ্টি করে—এমন প্রযুক্তি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে জাপানে। সেই প্রেক্ষাপটে নিউগ্রিনের আইগামো রোবোকে শুধু একটি যন্ত্র নয়; বরং টেকসই খাদ্যব্যবস্থার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কৃষিপ্রধান বাংলাদেশেও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে চাল উৎপাদন বাড়ানো ও রপ্তানিমুখী কৃষির সম্ভাবনা তৈরিতে এ ধরনের প্রযুক্তি হতে পারে অত্যন্ত কার্যকর। আর বাংলাদেশে তাঁর প্রযুক্তি চালুতে উৎসাহী তেৎসুইয়া নিজেও।

বিশ্বায়নের এ যুগে উপযুক্ত সাড়া পাওয়া গেলে বাংলাদেশেও ফসলের মাঠে এমন কর্মী রোবটের উপস্থিতি সম্ভবত খুব দূরের কোনো বিষয় নয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *