আপত্তির মুখে কনসার্ট বন্ধ, কী বলছেন শিল্পীরা
যে সরকার সংস্কৃতিমনা এবং চায় সংস্কৃতি ও সংগীত তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক, তারা ভালো ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হোক—তাদের কাছে এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। বিএনপি সব সময় ব্যান্ড মিউজিকসহ বিভিন্ন ধরনের সংগীতকে সমর্থন করে এসেছে। এবার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও সংগীতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই জায়গা থেকে সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা আরও বেশি। কারণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখিয়ে যদি কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে যেকোনো গোষ্ঠী শুধু আপত্তি বা হুমকি দিয়েই একটি অনুষ্ঠান বন্ধ করিয়ে দেওয়ার সুযোগ পাবে। এটি আরও বড় ধরনের প্রশ্রয়ের পথ তৈরি করবে।
আমার মনে হয়, সংস্কৃতি নিয়ে সরকারের যে ইতিবাচক চিন্তাভাবনা ও পরিকল্পনা রয়েছে, এসব ঘটনা সেই উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা। তাই সরকারের এ বিষয়ে খুব দ্রুত এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা নিয়ে সরকার কী করবে, সেটি নিয়ে একটি স্পষ্ট ঘোষণা আসা উচিত।
আমরা যখন পারফর্ম করি, তখন হাজার হাজার মানুষ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আমি তো মনে করি, ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে অন্তত ছয় কোটি মানুষ সংগীত অন্তপ্রাণ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আমাদের কনসার্টের অভিজ্ঞতাও অসাধারণ। এই মাটি থেকেই সংগীতের অনেক মহাপুরুষ উঠে এসেছেন। সেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংগীতকে ঘিরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও উদ্বেগের।
