গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাসী আয় ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি, যা দেশের অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অতীতের যেকোনো একক মাসের তুলনায় সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল গত মার্চ মাসে। সেই মাসে ৩৭৫ কোটি ২২ লাখ ডলার আসে। এ ছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার আসে মে মাসে। চলমান সংকটের মধ্যেও অর্থনীতির মূল চাকা সচল রাখতে এই শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ বড় ভূমিকা পালন করছে বলে মনে করছেন ব্যাংকাররা। এতে দেশের ডলারের বাজারে স্বস্তি বজায় রয়েছে।
এদিকে প্রবাসী আয়ের কারণে আজ মঙ্গলবার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৪০ কোটি ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ৩ হাজার ২৪৯ কোটি ডলার।
