চাপের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জামান বলেছেন, পুরো জমিকে অকৃষি দেখিয়ে প্রত্যয়ন দিতে তাঁর ওপর চাপ ছিল। উন্নয়নমূলক কাজ ও বিদ্যুতের সমস্যার কথা বলে তাঁকে অনাপত্তি দিতে বলা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চাপের মুখে শেষ পর্যন্ত তাঁকে অনাপত্তি দিতে হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, একজন সংসদ সদস্য কি তাঁর পদ বা রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে নিজের পরিবারের ব্যবসায়িক স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি প্রকল্পে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন? অভিযোগটি সত্য কি না, তা তদন্ত হওয়া দরকার। এমপি ফখর উদ্দিন আহমেদ অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

লক্ষণীয় হলো, ২৩ জুলাইয়ের যাচাই কমিটির প্রতিবেদনে ১৬৭ দশমিক ৮৪ একর জমির মধ্যে ৬৩ একরকে এক ফসলি বলা হয়েছিল। এসব জমিতে বোরো ধান হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, স্থাপনা নির্মিত হলে ধানের উৎপাদন কমবে। কিন্তু এক মাসের মধ্যে, ১৯ আগস্ট দেওয়া অনাপত্তিপত্রে চিত্র বদলে যায়। সেখানে ১৭৩ দশমিক ১৩ একর জমির মধ্যে ১৪১ দশমিক ৯৭ একরকে অকৃষি এবং মাত্র ৩১ দশমিক ১৬ একরকে এক ফসলি বলা হয়। প্রশ্ন হলো, এই পরিবর্তন কীভাবে হলো? জমির প্রকৃতি কি এক মাসের মধ্যে বদলে গেল, নাকি মূল্যায়নের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে?



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *