নভেম্বরের পর ইরানে হামলা জোরদার করবে যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্পের কৌশল
বুধবার ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন না নতুন করে শুরু হওয়া এই সামরিক অভিযান দীর্ঘদিন স্থায়ী হবে। তিনি আবারও স্পষ্ট করেন যে আসন্ন নির্বাচন তাঁর ইরান–সংক্রান্ত কৌশলে প্রভাব ফেলছে না। যুদ্ধ সপ্তম মাসে গড়ালেও ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস লজিস্টিকস এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার কাছে ক্রমশ বাঁধা পড়ে যাচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘সময়সূচি বদলে গেছে।’ অন্য এক কর্মকর্তা যোগ করেন, ‘ক্যালেন্ডারের দিনপঞ্জিই এখন ইরান নীতি পরিচালনা করছে।’
আগস্ট মাসের তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক বাহিনী নির্দিষ্ট কিছু নিখুঁত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ‘প্রায় পুরোটাই’ শেষ করে ফেলেছে। স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানরা পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথকে দেওয়া লিখিত মূল্যায়নে সতর্ক করেছেন যে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করা অসম্ভব এবং এটি অন্যান্য ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীর সার্বিক প্রস্তুতি কমিয়ে দিচ্ছে। তবে পেন্টাগন দাবি করেছে, তাদের অভিযান সফল করতে যা যা দরকার, তার সবই সামরিক বাহিনীর হাতে রয়েছে।
বর্তমানে হোয়াইট হাউসের দুই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওসহ ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীরা নভেম্বর পর্যন্ত ইরান সংঘাত তুলনামূলক ‘শান্ত’ রাখার পক্ষে রয়েছেন।
