পিরোজপুরে সাইক্লোন সেন্টারের অর্ধেক কাজ রেখে উধাও ঠিকাদার


পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলার রঘুনাথপুর ইবতেদায়ী মাদরাসা কাম সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের অর্ধেক কাজ করে লাপাত্তা হয়েছেন ঠিকাদার। ফলে প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন বছর পরও অর্ধনির্মিত অবস্থায় পড়ে আছে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনা। এতে দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সম্প্রতি ভবনটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু। এ সময় তিনি প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা, নির্মাণকাজ বন্ধ থাকার কারণ ও সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে খোঁজখবর নেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের মার্চ মাসে রঘুনাথপুর ইবতেদায়ী মাদরাসা কাম সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা শেষ হয়নি। ঠিকাদার প্রায় অর্ধেক কাজ সম্পন্ন করার পর নির্মাণকাজ বন্ধ করে চলে যান।

প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে নেওয়া প্রকল্পটির বিপরীতে ঠিকাদার ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এরপর থেকেই নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। দীর্ঘ তিন বছর ধরে ভবনটি অর্ধনির্মিত অবস্থায় পড়ে থাকায় প্রকল্পের অর্থের সঠিক ব্যবহার ও কাজের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রওনাকুল ইসলাম টিপু বলেন, প্রকল্পটির কাজ শেষ না করে ঠিকাদার চলে গেছেন। আমরা সরেজমিনে এসে প্রকল্পটির বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছি। অতি দ্রুত ফেলে রাখা নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করে শেষ করা হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত নির্মাণকাজ শুরু করে ভবনটি ব্যবহারের উপযোগী করা হলে একদিকে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবে, অন্যদিকে দুর্যোগের সময় স্থানীয় মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা হবে।

এ সময় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা রায়হান, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আহসান, সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মো. তরিকুল ইসলাম/এনএইচআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *