ফ্লোরিডায় নেতানিয়াহুর ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা ইরানের, বাঁচলেন কীভাবে?
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহুকে হত্যার চেষ্টা করেছিল ইরান। ইয়ারকে হত্যার জন্য ইরানের পক্ষ থেকে ‘গুরুতর হুমকি’ ছিল বলে শনিবার (২৯ আগস্ট) নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত।
হুমকির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ইয়ারকে ফ্লোরিডা থেকে দ্রুত ইসরায়েলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশ করেছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।
শিন বেত এক বিবৃতিতে জানায়, ইয়ার নেতানিয়াহুর ক্ষতি করার জন্য সত্যিই একটি গুরুতর হুমকি ছিল। এ পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর তাকে ও তার নিরাপত্তা দলকে জরুরি ভিত্তিতে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইরানি হুমকির বিষয়ে প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ফ্লোরিডার বোকা রাটনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্স। গত মঙ্গলবার প্রকাশিত হওয়া প্রতিবেদনে পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত এক মার্কিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তার বরাত দেওয়া হয়।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, গত ডিসেম্বরে ফ্লোরিডায় ইয়ারকে হত্যার জন্য ইরানের একটি পরিকল্পনা শনাক্ত করে ইসরায়েলি গোয়েন্দারা। এই বিষয়টি পরে মার্কিন কর্তৃপক্ষকে জানায় ইসরায়েলি গোয়েন্দারা।
ওই মার্কিন সূত্রের দাবি, গোয়েন্দা মূল্যায়ন অনুযায়ী ইরানি এজেন্টরা এরই মধ্যে মিয়ামি এলাকায় অবস্থান করছিল এবং ইয়ারের বাসস্থান ও চলাফেরার ওপর নজরদারিও চালিয়েছিল।
ইয়ার সবসময় ঘনিষ্ঠ ইসরায়েলি নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে থাকেন। হুমকির পর তাকে দ্রুত ওই এলাকা ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি নিজের কোনো জিনিসপত্র সঙ্গে না নিয়েই সরাসরি ইসরায়েলে ফিরে যান। বর্তমানে তিনি ইসরায়েলে বসবাস করছেন।
গত সপ্তাহে চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু জানিয়েছিলেন, ইরান তার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে। তবে, ইয়ার নাকি আভনারকে লক্ষ্য করা হয়েছিল তা নিয়ে তিনি কিছু জানাননি।
নেতানিয়াহু বলেন, এখানে এমন একটি বিষয় রয়েছে, যা কল্পনাও করা যায় না। ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। ইরান তাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে—আমার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে।
কেএম
