ব্যবহৃত ইঞ্জিন অয়েলের ৩০ শতাংশ নিম্নমানের, নষ্ট হচ্ছে যন্ত্রপাতি
শুধু অভিযান নয়, নজরদারি দরকার
শুধু অভিযান চালিয়ে বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সদস্য (পেট্রোলিয়াম) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া। তিনি বলেন, দেশে লুব্রিকেন্ট ও ইঞ্জিন অয়েলের ব্যবসা ও উৎপাদনের জন্য বিইআরসির লাইসেন্স নিতে হয়। বাজারে বিপুলসংখ্যক প্রতিষ্ঠান থাকায় সব প্রতিষ্ঠানকে নিয়মিত তদারকির আওতায় আনতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্ষমতা ও জনবলের বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে লাইসেন্সিং ও কমপ্লায়েন্স প্রক্রিয়া সহজ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া বলেন, নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা হলে যানবাহন ও যন্ত্রপাতির ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে। নিয়মিত নজরদারি, মান যাচাই, জনসচেতনতা এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থার ধারাবাহিক সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নিম্নমানের ইঞ্জিন অয়েলের ব্যবহার কমানো সম্ভব।
নিম্নমানের ও নকল ইঞ্জিন অয়েল ঠেকানো বিএসটিআইয়ের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, বিএসটিআই বিভিন্ন পণ্যের ক্ষেত্রে ঝুঁকিভিত্তিক নজরদারি চালায় এবং যেসব বাজার বা এলাকায় নকল পণ্যের ঝুঁকি বেশি, সেসব জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে। তবে দেশের হাজার হাজার উৎপাদক ও বিপুলসংখ্যক বিক্রেতার ওপর নিয়মিত নজরদারি করা সীমিত জনবল দিয়ে কঠিন।
