রাতে ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে যেতে চায় বাংলাদেশ


একই টুর্নামেন্ট, একই প্রতিপক্ষ, একই মঞ্চ! গল্পটাও যেন বারবার একই। নারী এশিয়া কাপে গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে হার, এরপর রানার্সআপ হয়ে সেমিফাইনালে ভারতের সামনে বাংলাদেশ। গতবারও ঠিক এমনই হয়েছিল। পার্থক্য শুধু একটাই, এবার সেই পুরোনো গল্পের শেষটা বদলে দিতে চায় বাংলাদেশের মেয়েরা।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। ম্যাচ শুরু বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

২০২৪ সালের এশিয়া কাপেও সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলেছিল বাংলাদেশ। সেবার ১০ উইকেটের হারে থেমেছিল ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন। এবারও শেষ চারে একই প্রতিপক্ষ। বরং এবারের পথটা আরও কঠিন মনে হচ্ছে। তিন ম্যাচের গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে হার কিংবা ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয়, কোনো ম্যাচেই ব্যাটিং নিয়ে স্বস্তি ছিল না বাংলাদেশের।

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১২৯ রান করেও ৮ উইকেট হারাতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। আর শেষ ম্যাচে আরব আমিরাতের বিপক্ষে তো ১০০ পার করাই কঠিন হয়ে পড়েছিল। ৫৫ রানে ৬ উইকেট হারানো বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত শারমিন আক্তার ও নাহিদা আক্তারের লড়াইয়ে ১০৩ রানে পৌঁছায়। সেই রানও বোলারদের দাপটে যথেষ্ট হয়ে যায়। ৩৪ রানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভরসা সেই বোলিংই। বিশেষ করে নতুন বলে মারুফা আক্তার। চলতি টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচেই ইনিংসের শুরুতে উইকেট পেয়েছেন এই পেসার। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম দুই ওভারে পরপর দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে আছেন নাহিদা আক্তার, রাবেয়া খানদের স্পিন।

আর ভারতের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জটা যে বড়, সেটাও অস্বীকার করার উপায় নেই। এখন পর্যন্ত ২৪ টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয়ে ভারত জিতেছে ২১টি, বাংলাদেশ তিনটি। চলতি এশিয়া কাপেও ভারত গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের সবকটিতে জিতে এসেছে।

তবে বাংলাদেশের জন্য অনুপ্রেরণার জায়গা আছে। ২০১৮ সালের সেই এশিয়া কাপেই ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের তিন টি-টোয়েন্টি জয়ও এসেছে ওই সময়ের মধ্যে।

ম্যাচের আগে বাংলাদেশের ব্যাটার শারমিন আক্তারও বরং চাপের বদলে সুযোগ হিসেবেই দেখছেন ভারত ম্যাচকে, ‘তারা (ভারত) এই টুর্নামেন্টের শীর্ষ দল। আপনি যদি চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তাহলে এই ধরনের দলের সঙ্গে খেলতে হবে। তাদের বিপক্ষে খেলাটা আমাদের জন্য উপভোগের, চাপের নয়।’

আর বোলিংয়ের অন্যতম ভরসা মারুফা আক্তারের কণ্ঠেও আত্মবিশ্বাস। ম্যাচের আগে বিসিবির প্রকাশিত ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমি অনেক খুশি কারণ আমরা সেমিতে উঠেছি। সামনে ভারতের সাথে ম্যাচ। যদি আমরা ভারতের সাথে জিততে পারি তাহলে ইনশাআল্লাহ ফাইনালে উঠব। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।’

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *