হাসান-খালেদ মিলে শিকার করলেন ডার্বিশায়ারের ৭ উইকেট
কাউন্টিতে নিজেদের গল্পটা যেন প্রতিদিনই নতুন করে লিখছে বাংলাদেশি পেসাররা। এবার একই ম্যাচে কেন্টের জার্সিতে সেই গল্পের নায়ক দুই বাংলাদেশি, হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদ। ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে প্রথম দিনেই দুজন মিলে তুলে নিয়েছেন ৭টি উইকেট। মার্টিন অ্যান্ডারসনের প্রতিরোধে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩০০ রানে থেমেছে ডার্বিশায়ার। দিন শেষে কেন্টের সংগ্রহ ১১/১।
শুরুটা ছিল রীতিমতো বাংলাদেশের পেসারদের দখলে। ম্যাচের প্রথম দুই বলেই জোড়া আঘাত হাসান মাহমুদের। প্রথম বলে হ্যারি কেইমকে স্লিপে ক্যাচ বানানোর পর পরের বলেই ম্যাথু মন্টগোমেরিকে এলবিডব্লিউ করেন তিনি। এক ওভারেই ডার্বিশায়ারকে ০/২-এ নামিয়ে দেন হাসান।
এরপর নিজের কাউন্টি অভিষেককে স্মরণীয় করে তোলেন খালেদ। মোহাম্মদ নাঈমকে ফিরিয়ে প্রথম কাউন্টি উইকেটের দেখা পাওয়ার পর ওয়েইন ম্যাডসেনকেও এলবিডব্লিউ করেন তিনি। একপর্যায়ে ডার্বিশায়ারের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান। কেন্টের দুই বাংলাদেশি পেসারের সামনে তখন পুরোপুরি কোণঠাসা স্বাগতিকরা।
এরপর অবশ্য গল্পটা বদলে দেন অ্যান্ডারসন। লুইস রিসের সঙ্গে ৯১ রানের জুটি গড়ে ডার্বিশায়ারকে বিপদ থেকে বের করে আনেন তিনি। পরে ব্রেট র্যান্ডেলের সঙ্গে আরও ৮৪ রানের জুটি গড়ে পৌঁছে যান সেঞ্চুরিতে। শেষ পর্যন্ত ১৯০ বলে ১২৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে ৩০০ রানের সংগ্রহ এনে দেন অ্যান্ডারসন।
তবে অ্যান্ডারসনের প্রতিরোধের মাঝেও হাসান থামেননি। পরে ব্রুক গেস্টকে এলবিডব্লিউ করে তৃতীয় উইকেট এবং শোয়েব বশিরকে এলবিডব্লিউ করে নিজের চতুর্থ উইকেট পূর্ণ করেন। সব মিলিয়ে ১০.২ ওভারে ৩ মেডেনসহ ৩০ রানে ৪ উইকেট, কেন্টের সেরা বোলার হাসানই। খালেদ ১১ ওভারে ৪ মেডেনসহ ৬২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে অভিষেকটা রাঙিয়েছেন।
