২৩ বছর পর সেই নায়িকা এসে বললেন, ‘আমি বেঁচে আছি’
হারিয়ে যাননি, বদলে ফেলেছেন জীবন
বলিউড ছাড়ার সময় মালিনী কোনো নাটকীয় ঘোষণা দেননি। ধীরে ধীরে নিজেকে আলোচনার বাইরে নিয়ে যান। অনেক বছর পর তিনি ‘দ্য স্লো লোকাল’ নামে একটি উদ্যোগ শুরু করেন। শুরুতে এটি ছিল স্থানীয় খাবার, হস্তশিল্প, ছোট ছোট কর্মশালা এবং শিশুদের গল্প বলার অনুষ্ঠান ঘিরে একটি কমিউনিটি প্রকল্প। বাড়িতে তৈরি রুটি, গ্রানোলা, জ্যাম, পিনাট বাটার, দক্ষিণ ভারতীয় কফি, বিভিন্ন ধরনের তেল—এসব নিয়েও কাজ করেছেন তিনি।
শহর ছেড়ে পাহাড়ে
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘দ্য স্লো লোকাল’ প্রকল্পও বদলে যায়। এখন মালিনী মহারাষ্ট্রের সাহ্যাদ্রি পাহাড়ে, পুনে থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার দূরত্বে একটি ফার্মস্টে পরিচালনা করেন।
এখানে মালিনী নিজেই ফল-সবজি চাষ করেন। খামারে উৎপাদিত শাকসবজি দিয়েই অতিথিদের জন্য খাবার রান্না করা হয়। তাঁর কাছে কৃষিকাজ শুধু পেশা নয়, জীবনযাপনের দর্শন।
‘এটাই আমাদের ছোট্ট জঙ্গল’
মালিনীর ফার্মের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য, তিনি প্রকৃতিকে বদলে দিতে চান না।
জমিতে আগে থেকেই থাকা অর্জুন, হরীতকী, কোকুম, পলাশ ও শিকাকাইগাছ সংরক্ষণ করেছেন। পাহাড়ের একটি বড় অংশ তিনি একেবারেই স্পর্শ করেননি, যাতে বন্য পরিবেশ অক্ষুণ্ন থাকে। তাঁর ভাষায়, ‘এটা আমাদের নিজের ছোট্ট জঙ্গল। আমরা চাই না এই প্রাকৃতিক আবাস নষ্ট হোক।’
