ভালোবাসার গল্পে জীবন রক্ষার বার্তা, এলো ‘মিতু জিতুর গল্প’
ক্যান্সার সচেতনতা ও সময়মতো স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে মুক্তি পেয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী মিউজিক ভিডিও ‘মিতু জিতুর গল্প’। ডক্টর কাজী প্লানেটের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এই গানটির মূখ্য উদ্দেশ্য কেবল বিনোদন নয়, বরং ভালোবাসার গল্পের মধ্য দিয়ে জীবন রক্ষার এক মানবিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী চিকিৎসক ড. কাজী সালেহীনের রচনায় গানটিতে সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন এস কে সমীর এবং কণ্ঠ দিয়েছেন শিল্পী বেলাল খান। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন মাহদী আল মুজাহিদ, যেখানে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন শেখ রাতুল রহমান ও অহি ইসলাম অথৈ এবং বিশেষ চরিত্রে রুনা হক।
মিউজিক ভিডিওটির গল্পে দেখানো হয়েছে ভালোবাসায় পূর্ণ দুটি মানুষের জীবন কীভাবে হঠাৎ কোলন ক্যান্সারের কারণে বদলে যেতে পারে। সেই সাথে হাসান মাহাদীর ভয়েস ওভারে অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় একটি সত্য তুলে ধরা হয়েছে—সঠিক সময়ে পরীক্ষা বা স্ক্রিনিং করলে অনেক ক্ষেত্রেই ক্যান্সার প্রতিরোধ অথবা প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্ত করা সম্ভব।
কণ্ঠশিল্পী বেলাল খান জানান , গান সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। এমন একটি অর্থবহ ও সচেতনতামূলক কাজের অংশ হতে পেরে তিনি আনন্দিত এবং বিশ্বাস করেন এটি মানুষকে স্ক্রিনিংয়ে উদ্বুদ্ধ করবে।
গীতিকার ও প্রযোজক ড. কাজী সালেহীন বলেন, চিকিৎসাজীবনে ক্যান্সারের কারণে অসংখ্য পরিবারের কষ্ট দেখার অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি এই গানটি লিখেছেন। মানুষকে ভয় না দেখিয়ে সচেতন করা এবং অন্তত একজনকে হলেও সময়মতো পরীক্ষায় উৎসাহিত করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।
ক্যান্সারের সাথে যুদ্ধ করে নিজের মা ও নিকটাত্মীয়দের হারানোর বেদনাদায়ক স্মৃতি স্মরণ করে সুরকার ও সংগীত পরিচালক এস কে সমীর বলেন, এটি তার জন্য একটি বড় সামাজিক দায়বদ্ধতার কাজ। সংগীতকে সমাজ পরিবর্তনের শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করেই তিনি প্রতিটি ধাপে আবেগ ও জীবন রক্ষাকারী বার্তা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি
