নকআউট পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রতিযোগিতার ফাইনালে রাংসা মাহারিকে ১-০ গোলে পরাজিত করে নকরেক এফসি চ্যাম্পিয়ন হয়।
ঢাকা বিভাগ থেকে নতুন কুঁড়ি জাতীয় কারাতে চ্যাম্পিয়ন নাম্বিয়া নকরেক বলেন, ‘এমন আয়োজন সবাইকে একত্র করে। গারোদের এমন মিলনমেলা দেখে আমার খুব ভালো লেগেছে।’
নকরেক আইটির সিইও সুবীর নকরেক বলেন, গারো জনগোষ্ঠী থেকে সেরা খেলোয়াড় বাছাই এবং ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরি করতে হলে নিয়মিত এমন আয়োজন প্রয়োজন। শুধু বছরে একটি টুর্নামেন্ট নয়, বছরে ১০-১২টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করা গেলে আরও অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে। তিনি আরও বলেন, মাহারি ফুটবল টুর্নামেন্ট গারোদের মিলনমেলা হয়েছে ও ভালো খেলোয়াড় তৈরির দিকটি ইতিমধ্যে প্রমাণ দিয়েছে। এ আয়োজনের মাধ্যমে উদয় নকরেক, সকল দফো ও গিত্তেল মৃ, প্রিয় নকরেক, বীরবল নকরেক, মর্নিং সিমসাং জুনিয়র, পিয়াল হাগিদক, ঐতিহ্য হাগিদক, অম্লান চিরান, ইকো নকরেক, দিগন্ত নকরেক, রামিন মাংসাং, শংকর মাংসাং, শুভ রাংসা, অর্ঘ্য রাংসা, আদিত্য রাংসা, তুষার মাজি, অলিত মাজির মতো উদীয়মান খেলোয়াড়েরা নিজেদের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন।
