বাবা ট্রাক্টর কিনলে হয়তো অভিনেতা হতেন না পঙ্কজ


তবে প্রত্যাখ্যান তাঁকে থামাতে পারেনি। নিজেকেই প্রশ্ন করতেন, একজন মানুষকে আর কতবার প্রত্যাখ্যান করা যায়? কোনো একদিন তো তাঁর চেষ্টা ও একাগ্রতা কারও চোখে পড়বেই।
শুরুতে ছোটখাটো চরিত্র মিলত। টেলিভিশন প্রযোজনায় বারবার পুলিশের চরিত্রে ডাক পেতেন। চরিত্র যত ছোটই হোক, নিষ্ঠা নিয়ে অভিনয় করতেন। একসময় ভেবেছিলেন, নিজের জন্য পুলিশের একটি পোশাকই বানিয়ে রাখবেন। ডাক এলেই সেটি নিয়ে হাজির হবেন।
অবশেষে অনুরাগ কাশ্যপের নজরে পড়েন। ‘গ্যাংস অব ওয়াসেপুর’-এ সুলতান কুরেশির চরিত্র বদলে দেয় তাঁর ক্যারিয়ার। এরপর ‘মাসান’, ‘নিউটন’, ‘বরেলি কি বরফি’, ‘ফুকরে’, ‘লুডো’, ‘মিমি’, ‘ওএমজি ২’, ‘স্ত্রী’সহ একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ‘মির্জাপুর’-এর কালিন ভাইয়া তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে আরও বিস্তৃত দর্শকের কাছে।
পঙ্কজের ভাষায়, ‘মির্জাপুর’-এর আগে তিনি কেবল অভিনয়শিল্পী তালিকার একজন ছিলেন। সিরিজটি জনপ্রিয় হওয়ার পর তাঁকে ‘স্টার কাস্ট’ বলা শুরু হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *