ইরানের ৩ তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানের হামলার পর দেশটির তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালানোর কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, আঞ্চলিক জলসীমায় টহলরত দুটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর ইরানের তেলবাহী জাহাজগুলোতে হামলা চালানো হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সেন্টকমের দাবি, ইরানের হামলার জবাব হিসেবেই দেশটির তেল পরিবহনকারী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, খার্গ দ্বীপের কাছে একটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে কয়েকটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব আরও বিস্তৃত হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের বরাতে আলজাজিরা জানিয়েছে, ইরান যুদ্ধ নিয়ে তথ্য ফাঁসের ঘটনায় মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের তদন্তকারীরা জয়েন্ট স্টাফের প্রায় ৫০ সদস্যের পলিগ্রাফ বা মিথ্যা শনাক্তকারী পরীক্ষা করেছেন। যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক গোলাবারুদের ঘাটতি তৈরি হয়েছে কি না, এ-সংক্রান্ত তথ্য ফাঁসের বিষয়ও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
এর মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আবারও ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ খুব শিগগির হামলার হুমকি দিয়েছেন। এর আগে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়েও তিনি একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
অন্যদিকে ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ অভিযোগ করেছেন, সামরিকভাবে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ শুরু করেছে।
এদিকে পশ্চিম তীরের পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি। বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি বলেন, পশ্চিম তীরের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ইসরায়েলি সরকারের।
সাজু/নিএ
