নতুন রাজনৈতিক দল নেতৃত্ব না দিলে পুরোনো সিস্টেম আগ্রাসন চালাতে পারে
জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, একজন স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। সে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। এখন দেশ পুনর্গঠনের সময়। তরুণদের নেতৃত্বে যারা রাজপথে ছিল, একসঙ্গে লড়াই করেছে, তাদের নেতৃত্বে একটি নতুন রাজনৈতিক দল আগামী বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেবে। সেটা না হলে পুরোনো সিস্টেম পুরোনো চিন্তা আবারো আমাদের ওপর আগ্রাসন চালাতে পারে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ভোলা জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এনসিপির ভোলা জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, চরে মহিষকে ঘাস খাওয়াতে গেলেও বাংলাদেশে চাঁদা দিতে হয়। মহিষকে ঘাস খাওয়াতে হলে যে দলের নেতা-কর্মীদের চাঁদা দিতে হয়, তাদের হয় সংশোধন হতে হবে, না হলে ওই দলের রাজনীতি শেষ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের একটি পুরোনো স্বভাব আছে, নিজের দলের লোকজনকে সুপারিশ করে চাকরি দেওয়া। বিএনপি যদি তাদের কোটায় লোকজন নিয়োগ দেয়, তাহলে বিএনপিকে জনগণের মুখোমুখি হতে হবে। অযোগ্যদের চাকরি দিয়ে যোগ্য মেধাবীদের বঞ্চিত করার রাজনীতি যদি বিএনপি করতে চায়, তাহলে বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করবে।
তিনি আরও বলেন, ভোলা বাংলাদেশর লাখো মানুষের গ্যাসের চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু ভোলার মানুষ গ্যাস সংযোগ পায় না। ভোলা মৎস্য ও কৃষিসহ বিভিন্ন কিছুর উৎপাদন কারখানা। কিন্তু ভোলায় কোনো শিল্পাঞ্চল হয়নি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি ভোলার মানুষ শহীদ হয়েছে। সাহসী ও বীরের জেলা ভোলা।
ভোলা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মাকসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় এসময় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, যুবশক্তির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত খন্দকার মঞ্জু, এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য কাজী সালমান, রায়হানুল ইসলামসহ প্রমুখ।
জুয়েল সাহা বিকাশ/এফএ
