পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলার দাবি, পুলিশ বলছে ‘ভিত্তিহীন’


সিলেটের জৈন্তাপুরে এনসিপির জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে ফেরার পথে আবারও দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা ও দুজনকে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে।  

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই দাবি করা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, হামলা চালিয়ে দুজনকে আহত ও গাড়ির গ্লাস ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

তবে পুলিশ বলছে, গাড়িতে হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এনসিপির নেতাদের গাড়িবহরের আগে পেছনে পুলিশের প্রটোকল ছিল।

দলীয় ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুরে জুলাই পদযাত্রা ও সমাবেশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এতে অংশ নেন দলটির মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সংসদ সদস্য ও নারী শক্তির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব মাহমুদা মিতু। রাতে জৈন্তাপুরে সমাবেশ শেষ করে গাড়িতে করে ফিরছিলেন এনসিপি নেতারা। এসময় ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছিল।

 

রাত ১১টার দিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে অভিযোগ করা হয়, ‘আবারও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা। সিলেটের জৈন্তাপুরে জুলাই পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে তার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা গাড়ির কাচ ভাঙচুর করে। এতে ভাঙা কাচে আহত হন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং তার সঙ্গে থাকা আরও একজন।’

স্ট্যাটাসের সঙ্গে একটি ভিডিও যুক্ত করে দেওয়া হয়। সেখানে দেখা যায়, মাইক্রোবাসের গ্লাস ভাঙা ও ভেতরে একজনের হাত থেকে রক্ত বের হচ্ছে।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলম মোল্লা।

 

তিনি বলেন, ‘এরকম ঘটনা ঘটেনি। সমাবেশ শেষে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরের সামনে ও পেছনে পুলিশের প্রটোকল ছিল। এক মিনিটের জন্যও কোথাও গাড়ি থামেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি গাড়িবহরের সামনে ছিলাম। জৈন্তা গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে এসেছি। এসময়ের মধ্যে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি।’  

এর আগে মঙ্গলবার হবিগঞ্জে ও বৃহস্পতিবার গোলাপগঞ্জে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। হবিগঞ্জের ঘটনায় এনসিপি ও ছাত্রদল থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে।

আহমেদ জামিল/এসআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *