মডেলিংয়ের সময় ‘অশোভন’ প্রস্তাব,বার বার প্রত্যাখ্যান হয়েও আজ যিনি সফল অভিনেতা


বলিউডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেতা তিনি। ‘গলি বয়’, ‘ডার্লিংস’, ‘দহাড়’- একের পর এক ছবিতে ও সিরিজ়ে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তুলেছেন বিজয় বর্মা। কিন্তু এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ লড়াই, প্রত্যাখ্যান আর এক তিক্ত অভিজ্ঞতার স্মৃতি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই অজানা অধ্যায়ের কথাই তুলে ধরলেন অভিনেতা।

ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অভিনয়ের পাশাপাশি হায়দরাবাদে মডেলিংয়ের কাজ করতেন বিজয়। সেই সময় এক মডেল কো-অর্ডিনেটরের অশোভন আচরণের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। বিজয় জানিয়েছিলেন, ওই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে অযাচিত ভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। আচরণে অস্বস্তি বোধ করতেই সরাসরি প্রতিবাদ করেন তিনি। ঘটনার পরেই মডেলিংয়ের জগৎ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা।

অভিনেতার কথায়, নতুন অবস্থায় এমন অভিজ্ঞতা সহজেই এক জনকে ভেঙে দিতে পারে। তবে সেই ঘটনাই তাঁকে বুঝিয়ে দেয়, যদি অভিনয়ই লক্ষ্য হয়, তবে অন্য পথে সময় নষ্ট না করে সেই স্বপ্নকেই আঁকড়ে ধরতে হবে।

তবে অভিনয়ের পথও মোটেই সহজ ছিল না। হায়দরাবাদের অভিনয় স্কুলে ভর্তি হতে চেয়েও সুযোগ পাননি বিজয়। প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ছিল, অভিনয় শেখার জন্য দীর্ঘমেয়াদি নিষ্ঠা প্রয়োজন, আর তাঁরা নিশ্চিত ছিলেন না যে তিনি সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে পারবেন। প্রথম ধাক্কা সেখানেই।

এর পর আবেদন করেন পুণের ‘ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া’য় (এফটিআইআই)। প্রথম বার সেখানেও ব্যর্থ হন। কিন্তু হাল ছাড়েননি। দ্বিতীয় চেষ্টায় সুযোগ পান। সেখানেই অভিনয়ের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নেন। সেই সময় তাঁর সহপাঠীদের মধ্যে ছিলেন রাজকুমার রাও এবং জয়দীপ আহলওয়াতের মতো অভিনেতারাও।

সেই সংগ্রামের পথ পেরিয়েই আজ বলিউডে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন বিজয়। চরিত্রনির্ভর অভিনয়ের জন্য বার বার প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে ‘গুস্তাখ ইশ্‌ক’ ছবিতে। যেখানে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ, ফাতিমা সনা শেখ ও শরিব হাশমী। এ ছাড়াও ‘মটকা কিং’ ওয়েব সিরিজ়েও নজর কেড়েছেন বিজয়। সেখানে এক সাধারণ তুলো ব্যবসায়ীর জুয়া-সম্রাট হয়ে ওঠার কাহিনিই উঠে এসেছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *