‘ধীরগতির অভিযান’ গ্রহণযোগ্য নয় | প্রথম আলো


অপরাধীদের হাতে থাকা এসব মারণাস্ত্র এবং সমাজে অবাধে ঘুরে বেড়ানো অপরাধীরা মিলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রতিনিয়ত এক বিশাল হুমকি তৈরি করে রেখেছে। খোয়া যাওয়া এসব অস্ত্র ইতিমধ্যে বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। চট্টগ্রাম, খুলনা, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও হত্যাকাণ্ডে খোয়া যাওয়া অস্ত্রের ব্যবহার হয়েছে। লুট হওয়া অস্ত্র কেনাবেচার সঙ্গে পুলিশের একজন কনস্টেবলের সম্পৃক্ত থাকার খবরটি অনেক বেশি উদ্বেগজনক।

পরিস্থিতির গুরুত্ব স্বীকার করে কারা অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা জননিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বললেও, পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে ‘ধীরগতিতে হলেও অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে’। আমরা মনে করি, জননিরাপত্তার প্রশ্নটি যেখানে জড়িত, সেখানে এমন ধীরগতির অভিযান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বেহাত হওয়া ১ হাজার ৩১৮টি মারণাস্ত্র কিংবা সোয়া দুই লাখের বেশি তাজা গুলি কেবল ধীরগতির অভিযানের আশ্বাসে ফেলে রাখা যায় না। যত দিন পর্যন্ত একটি অস্ত্র বা একটি তাজা গুলিও দুষ্কৃতকারীদের হাতে থাকবে, তত দিন পর্যন্ত সাধারণ নাগরিকের জীবন ও সম্পত্তির কোনো স্থায়ী নিশ্চয়তা প্রদান করা সম্ভব নয়। তা ছাড়া উগ্রবাদ আন্তর্জাতিক অপরাধী বা জঙ্গিরা বাইরে অবস্থান করে আবারও অপরাধভিত্তিক সিন্ডিকেট বা উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন করার পর্যাপ্ত সময় ও সুযোগ পাচ্ছে, যা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মক ক্ষুণ্ন করতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *