ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামে শিশুদের আসক্ত করার অভিযোগ নাকচ করল মেটা
ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডের একটি ফেডারেল আদালতে গত মঙ্গলবার এ ঐতিহাসিক মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তরুণদের ওপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আইনি লড়াই। শুনানিতে ক্যালিফোর্নিয়ার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মেগান ও’নিল আট সদস্যের জুরিকে বলেন, মেটার ব্যবসায়িক মডেল হলো, ‘ব্যবহারকারীদের আসক্ত করা, তাদের বেশিক্ষণ আটকে রাখা, তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এবং জনসাধারণের কাছে সত্য গোপন করা।’ ও’নিল আরও বলেন, শিশুদের ক্ষেত্রে এ কৌশল সবচেয়ে ভালো কাজ করেছে।
মেটার আইনজীবী পল স্মেড অবশ্য স্বীকার করেছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের কারণে কেউ কেউ সমস্যায় পড়ছেন। সে বিষয়ে ‘কোনো বিতর্ক নেই’। তবে তিনি দাবি করেন, একে কোনোভাবেই আসক্তি বলা যায় না। কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের সঙ্গে তাদের ভালো না থাকার কোনো স্পষ্ট সম্পর্ক গবেষণায় পাওয়া যায়নি। স্মেড আরও বলেন, মেটা এবং এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক জাকারবার্গ সব সময় তাদের সেবা উন্নত করতে চান, একে ঝুঁকিপূর্ণ করতে নয়। তিনি বলেন, মানুষ যদি তাঁদের সেবা পছন্দ না করে, তাহলে তাঁরা ভালো করতে পারবেন না, এটা তাঁরা বোঝেন।
