নেতানিয়াহুকে রক্ষার চেষ্টা—আইসিসির প্রেসিডেন্ট ও কৌঁসুলির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
মার্কো রুবিও বলেন, ‘যেসব দেশের সরকার আইসিসির এখতিয়ারে সম্মতি দেয়নি, সেসব দেশের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা, গ্রেপ্তার, আটক কিংবা তাঁদের বিচারের আওতায় আনার আইসিসির প্রচেষ্টায় এই ব্যক্তিরা (আইসিসির প্রেসিডেন্ট ও জ্যেষ্ঠ কৌঁসুলি) সরাসরি জড়িত।’
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আইসিসি। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এমন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আইনের শাসনকে ক্ষুণ্ন করে।
বিবৃতিতে আইসিসি আরও বলেছে, ‘আইন প্রয়োগের কারণে যখন বিচারিক কাজে যুক্ত ব্যক্তিরা হুমকির সম্মুখীন হন, তখন মূলত আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলাই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।’
নিষেধাজ্ঞার শিকার আবদুলায়ে সেয়ে আইসিসির সেই কৌঁসুলি দলের একজন জ্যেষ্ঠ সদস্য, যাঁরা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছিলেন। এ ছাড়া আইসিসির বিচারক হিসেবে নির্বাচনের জন্যও তিনি মনোনীত হয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞা আরোপের এই মার্কিন তৎপরতা ইউরোপে তাদের মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে একধরনের দূরত্ব তৈরি করেছে।
