ইমরান খানের সঙ্গে সরকার-সেনাবাহিনীর কি কোনো সমঝোতা হচ্ছে
খোখর মনে করেন, পাকিস্তান ও বিদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত পর্যবেক্ষকেরা পাকিস্তানের বিচারব্যবস্থাকে ‘রাজনৈতিক, প্রেটোরিয়ান [সামরিক হস্তক্ষেপনির্ভর] এবং অসাংবিধানিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল’ বলে মনে করেন।
দেশটির এই সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘তাঁদের সম্মতি ছাড়া এ ধরনের আদেশ দেওয়া হয়েছে—এটা কল্পনা করা কঠিন।’ তাঁর ভাষ্যমতে, বিচারিক আদেশের মাধ্যমে ইমরান খানকে আদিয়ালা কারাগার থেকে শিফা হাসপাতালে নেওয়াকে তাঁরা ‘বৈধতার আবরণ’ হিসেবে দেখছেন।
খোখর বলেন, ‘যা-ই হোক না কেন, পাকিস্তানজুড়ে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে। এই পরিবর্তনের গতি ইমরান খান ও দেশের পক্ষে যাচ্ছে। বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে শরিফ ও জারদারি পরিবারের ক্ষেত্রে।’
খোখর আরও বলেন, তাঁদের ‘ক্ষমতায়ন শুরু থেকে ব্যর্থ হওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিল’। এখন তাঁরা ‘রাজনৈতিক, নৈতিক, সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক—সব দিক থেকে পুরোপুরি ধরা খেয়েছেন ও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।…একটি পরিবর্তন শুরু হয়েছে। এর পরিণতিতে পিটিআইকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি জাতীয় সরকার গঠিত হতে পারে।’
সাবেক ফেডারেল মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ ‘সুস্থ রাজনৈতিক অগ্রগতির নতুন এক যুগের’ সূচনা করতে পারে। তাঁর মতে, এ ঘটনা এটাও ইঙ্গিত দিচ্ছে—সরকার ও পিটিআইয়ের মধ্যে আলোচনা সঠিক পথে এগোচ্ছে।
