রাষ্ট্রপতি পদে কারা কত দিন থেকেছেন, কে কোথায় আছেন
রাজনৈতিক সূত্রগুলোর ভাষ্যমতে, বিএনপির পক্ষ থেকে একপর্যায়ে মো. সাহাবুদ্দিনকে এমন বার্তা দেওয়া হয় যে তারা রাষ্ট্রপতি পদে নিজেদের কাউকে চায়। তাই তাঁর পদত্যাগ করা দরকার। আর এমনটা করা হলে তাঁকে নিরিবিলি জীবনযাপনে বাধা দেবে না সরকার। এরপরই সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন বিভিন্ন রোগে ভুগছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘আমি গুরুতর অসুস্থ। হৃদ্রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছি। আমার হৃদ্যন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে। ইদানীং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি নামের রোগ শনাক্ত হয়েছে। এ রোগের কারণে আমি মাঝেমধ্যে ক্ষণিক অচেতন হয়ে যাই। রোগসমূহের প্রাদুর্ভাবে শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যতার কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমার দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা প্রয়োজন।’
পদত্যাগ করার পর মো. সাহাবুদ্দিন বঙ্গভবন ছেড়ে গুলশানে নিজের ফ্ল্যাটে ওঠেন। মো. সাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, তিনি বেশ অসুস্থ। তাঁর এক পা অনেকটাই অবশ। তাঁকে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হচ্ছে। তাঁর মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে সমস্যা রয়েছে।
মো. সাহাবুদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব না থাকায় স্বস্তি আছে। তবে গুরুতর অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তাঁর সময় কাটছে। তবে এর মধ্যেও লেখালেখি করার চেষ্টা করছেন।
সাবেক এই রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি বঙ্গভবনের দিনগুলো নিয়ে বই লিখছি। ঘটনাবহুল সময়টা লেখায় আনতে চাই।’
