বাংলাদেশে পাচারের আগেই পশ্চিমবঙ্গে উদ্ধার বিপুল পরিমাণ অস্ত্র
ভারতের বিহার থেকে বাংলাদেশে অস্ত্র পাচারের সময় পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র। অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাসহ চার জনকে। উদ্ধার করা হয়েছে দুটি নাইন এমএম, ছয়টি সেভেন এমএম, দুটি দেশি হ্যান্ডমেন্ড পিস্তল, সাতটি খালি ম্যাগাজিন ও ২১০ রাউন্ড গুলি।
শনিবার মুর্শিদাবাদে জেলা পুলিশ সুপার শচীন মক্কার জানান, একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নির্বাচনের পরবর্তী সময় থেকেই পলাতক ছিলেন মুর্শিদাবাদের তৃণমূল কংগ্রেস যুব নেতা পাপাই ঘোষ। সম্প্রতি তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ। নিজেদের হেফাজতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শুক্রবার একটি অভিযান পরিচালনা করে বহরমপুর থানার পুলিশ।
বহরমপুরে পাপাই ঘোষের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার হয় সাতটি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র, পাঁচটি ম্যাগাজিন এবং ১৭০ রাউন্ড গুলি। গ্রেপ্তার করা হয় আরো তিনজনকে। গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে শক্তিপুর থানার পুলিশ। এ সময় আবারো উদ্ধার হয় ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও পাঁচটি পিস্তল।
পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানতে পেরেছেন এই অস্ত্রগুলো বিহার থেকে কেনা হয়েছিল মূলত বাংলাদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগে চলতি মাসেই পশ্চিমবঙ্গের এই মুর্শিদাবাদ জেলা এবং উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা থেকে বাংলাদেশে পাচারের আগে উদ্ধার হয়েছে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র।
১২ আগস্ট মুশিদাবাদের জিয়াগঞ্জ থেকে উদ্ধার হয়েছে সাতটি সেভেন এমএম পিস্তল, ১০টি খালি ম্যাগাজিন, ৩৫টি লাইভ কার্তুজ। এই ঘটনার মাত্র একদিন পর ১৩ আগস্ট পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্তের কাছ থেকে উদ্ধার হয় একটি নাইন এমএম পিস্তল এবং দুটি ম্যাগাজিন।
