খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী
জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি খাদ্য কর্মসূচিগুলোকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।
তিনি বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে। খাদ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিতরণের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, দক্ষতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে সরকারি খাদ্য কর্মসূচির সুফল প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে।
আজ রবিবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম কর্মদিবসে মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তরগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নবনিযুক্ত খাদ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন কর্মসূচি, খাদ্যশস্য সংগ্রহ, সরকারি মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।
সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়ে একটি উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। এতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সরকারি খাদ্য মজুত ব্যবস্থাপনা, কৃষকের কাছ থেকে খাদ্যশস্য সংগ্রহ এবং ভোক্তাদের কাছে খাদ্য সরবরাহসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়।
মতবিনিময় সভায় খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি খাদ্য কর্মসূচিগুলো আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধবভাবে বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কাজের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে হবে। এ জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, দক্ষতা, নিষ্ঠা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ভিশন বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয়ের প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
