বেসরকারি কোম্পানিকে সাইবার হামলা চালানোর আইনি সুযোগ করে দিলেন ট্রাম্প


স্মারক অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকারের তত্ত্বাবধানে অনুমোদন পাওয়া অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ‘সাইবার নজরদারি কার্যক্রম’ এবং ‘সাইবার প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রম’ পরিচালনা করবে।

স্মারকে বলা হয়েছে, ‘সাইবার প্রভাব বিস্তারকারী কার্যক্রমের মধ্যে তথ্যব্যবস্থা, নেটওয়ার্ক, তথ্যব্যবস্থা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ভৌত বা ভার্চ্যুয়াল অবকাঠামো কিংবা সেখানে থাকা তথ্যের সম্ভাব্য পরিবর্তন, ব্যাহত করা, প্রবেশাধিকার বন্ধ করা, কার্যকারিতা কমানো বা ধ্বংস করার মতো কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’

স্মারকে আরও বলা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোকে কমপক্ষে ১০ লাখ ডলারের বন্ড বা জামানত (এসক্রো) জমা রাখতে হবে।

অপরাধী ও অন্যান্য লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে সাইবার কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের ধারণাটি নতুন নয়। তবে অতীতে এ নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। এর কারণ হিসেবে সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা, অনিচ্ছাকৃত পরিণতি এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের সমস্যার কথা বলা হয়েছে।

ট্রাম্পের এই কর্মসূচি নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে দ্য গার্ডিয়ান ডিএইচএস ও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে তারা তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *