‘অল্প বয়সে মাইয়েডা বিয়ে দিয়ে চরম ভুল হইয়েছে’


অল্প বয়সে মেয়েকে বিয়ে দিয়েছিলেন লোহাগড়া উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রামের নারী জুবায়দা খানম (ছদ্মনাম)। তিনি বলেন, ‘আমার মাইয়্যারে ১২ বছর বয়সে বিয়ে দিয়া দিছিলাম। সেহানে ১০ দিন থাইকে পরে মাইয়্যে আর গেল না। আমরাও ভুল বুঝতি পাইরে আর পাঠালাম না। এখন লেখাপড়া করাব, তারপর বিয়ে দেব।’

বাল্যবিবাহ দেওয়া পরিবারগুলো বলছে, মূলত দারিদ্র্য, সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে ভয়, মেয়ের পড়াশোনায় অমনোযোগিতা এবং অল্প বয়সে প্রেমের সম্পর্কে জড়ানোয় বাল্যবিবাহ দেওয়া হয়।

নড়াইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি তারিকুজ্জামান লিটু বলেন, বাল্যবিবাহ এক হয় সনদ জালিয়াতি করে। আরেক হয় ধর্মীয়ভাবে বিয়ে দিয়ে রেখে, পরে বয়স পূর্ণ হলে নিবন্ধন করা হয়। নিবন্ধন হওয়ার আগেই যদি বাল্যবিবাহের শিকার ওই কিশোরী নির্যাতনের শিকার হয় কিংবা বিবাহবিচ্ছেদে গড়ায়, সে ক্ষেত্রে তাদের আইনি সুবিধা পেতে বেগ পেতে হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *