নিউইয়র্কে বাংলাদেশির মৃত্যু/‘ছেলেটা প্রতিষ্ঠিত হবে, টিনের ঘরটি পাকা করবে—কত আশা, সব শেষ হয়ে গেছে’


গতকাল সোমবার দুপুরে সরেজমিনে কংশনগর গ্রামের পাইক বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিবেশী ও স্বজনেরা রাজুর বাড়িতে ভিড় করেছেন। ঘরের ভেতরে আহাজারি করছেন রাজুর স্ত্রী পলি আক্তার, ১২ বছরের কন্যা জান্নাতুল নাইমা ও আড়াই বছরের রাইসা আক্তার, বাবা মোহাম্মদ উল্যাহসহ পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে চোখের পানি গড়িয়ে পড়ছে প্রতিবেশীদেরও।

প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, তিন ভাই তিন বোন রয়েছেন রাজুর। ছেলেদের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। দেশে রংমিস্ত্রির কাজ করতেন রাজু। বড় মেয়ে জান্নাতুল নাইমার জন্মের পর জীবিকার উদ্দেশ্যে কাতারে পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে সাত বছর ছিলেন। এরপর দেশে ফিরে আসেন। ২০২৩ সালে কাতার থেকে দেশে ফেরার পর ওই বছরের শেষের দিকে অবৈধ পথে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেন। সেখানে অবৈধ অভিবাসী হিসেবে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন তিনি। সর্বশেষ পিৎজার দোকানটিতে চাকরি নিয়েছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *