মাগুরায় ৭ ভুয়া সিআইডি কর্মকর্তা আটক


মাগুরার শ্রীপুরে এক নারীকে অপহরণ করতে যাওয়ার সময় সাতজন ভুয়া সিআইডি কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল গ্রামের পশ্চিম পাড়া থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার আসমা খাতুন (৩১), ওসমান গনি (২৫), সাব্বির হোসেন (২২), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান হাসান (২৮), আরাপপুর এলাকার সালমান শাহ (২৫), আড়মুখ গ্রামের সাকিব হোসেন (২৩) এবং মাগুরার শালিখা উপজেলার দোবিলা গ্রামের আল আমিন হোসেন (২২)।

বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে মাগুরা নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে একটি মাইক্রোবাসের সন্দেহজনক চলাচল দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে সিআইডি লেখা চারটি জ্যাকেট ও একটি খেলনা পিস্তল পাওয়া যায়। আটটি মোবাইল ফোনসহ মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, আটক সাতজন সিআইডির পরিচয় ব্যবহার করে নাকোল গ্রামের এক নারীকে অপহরণ করতে গিয়েছিলেন। ওই নারীকে অপহরণের জন্য ঝিনাইদহ থেকে একটি মাইক্রোবাসে করে তারা নাকোলে আসেন।

পুলিশ সুপার জানান, শ্রাবণী নামে ওই নারীর সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে নাকোল গ্রামের মোস্তাক নামের এক যুবকের বিয়ে হয়। পরে বিবাহবিচ্ছেদ করে তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পাগলা কানাই এলাকার শিমুল নামের এক যুবককে বিয়ে করেন। প্রায় এক সপ্তাহ আগে প্রথম স্বামী মোস্তাক শ্রাবণীকে শিমুলের কাছ থেকে নিয়ে আসেন। এর পর শ্রাবণীকে ফিরে পেতে দ্বিতীয় স্বামী শিমুল পরিকল্পনা করেন এবং ৫ লাখ টাকার চুক্তিতে সাতজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। চুক্তি অনুযায়ী, সিআইডির পোশাক পরে ও খেলনা পিস্তল সঙ্গে নিয়ে তারা শ্রাবণীকে তুলে নিতে নাকোলে আসেন।

এ ঘটনায় আটক সাতজনের পাশাপাশি শ্রাবণীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুলের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। মামলার পর তাদের শ্রীপুর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং পরে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *