গ্রেপ্তার দুই আসামি ও উদ্ধার মোটরসাইকেলের রং নিয়ে প্রশ্ন


নয়মুল হাসান বলেন, ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির মালিক রাকিব। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছেন তাঁরা। তবে ঘটনার দিন মোটরসাইকেলটি পনি গাজীর কাছে ছিল। এ ছাড়া রনজিলা পারভিনের স্বামী আবদুল মতিন ঘটনাস্থলে এই বাইক ব্যবহৃত হয়েছে বলে তাঁদের নিশ্চিত করেছে বলে দাবি করেছে র‍্যাব।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, তাঁরা প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধানে জানতে পেরেছেন, হত্যার মূল সন্দেহভাজন পনি গাজী একজন পেশাদার ছিনতাইকারী। একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর তেজগাঁও, শেরেবাংলা নগরসহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, ভয়ভীতি প্রদর্শন করাসহ বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ড করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে রাজধানী ও রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন থানায় মোট ১৩টি মামলা রয়েছে।

মামলার বিবরণ উল্লেখ করে নয়মুল হাসান বলেন, ডিএমপির হাতিরঝিল, আদাবর ও কাফরুল থানায় পনির গাজীর বিরুদ্ধে মাদকের তিনটি; ভাটারা, মোহাম্মদপুর, কাফরুল, বাড্ডা, শাহজাহানপুর থানায় চুরি, ভয়ভীতি প্রদর্শনের ছয়টি; আদাবর, খিলগাঁও, কামরাঙ্গীরচর থানায় চুরি ও সিঁধেল চুরির তিনটি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া চাঁদপুর মডেল থানায় ডাকাতির প্রস্তুতির একটি মামলা রয়েছে।

নয়মুল হাসান বলেন, পনি গাজী এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। জামিনে বের হয়েছেন। তবে কবে বের হয়েছেন, সেটি এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি তাঁরা। পুলিশ বিষয়টি যাচাই করছে। আর সেড্রিকের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য তাঁদের কাছে নেই। তবে মোটরসাইকেলের মালিক নিশ্চিত করেছে যে পনিরের পেছনের সিটে সেড্রিকই ছিলেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *