শেষ মেসেজের (খুদে বার্তা) পর শুভশ্রী ও রীনার মতো অনেকেরই আর কোনো খোঁজ পায়নি তাঁদের পরিবার।
সুদীপ্তর ধারণা, যখন এই বিপর্যয় ঘটে, তখন তাঁর স্ত্রী হয়তো চীনের ইমিগ্রেশন ভবনের ভেতরে বা এর কাছাকাছি কোথাও ছিলেন। এরপরই যোগাযোগবিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সুদীপ্ত বলেন, ‘আমি জানতাম তিব্বতের দিকে নেটওয়ার্কের সমস্যা হবে। তাই আমি পরের মেসেজের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।’ বেলা তিনটার দিকে সুদীপ্ত সংবাদমাধ্যমে বন্যার খবর দেখতে পান। তিনি সঙ্গে সঙ্গে শুভশ্রীর দলের অন্য পুণ্যার্থীদের…
