উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশের পরও জনতার বাজারে তালা, অভিযোগ উদ্যোক্তাদের
বাজার পরিচালনায় জেলা প্রশাসনের যেসব সহযোগিতা করার কথা ছিল, তা পুরোপুরি পাওয়া যায়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, বাজারে যাওয়ার রাস্তা খারাপ থাকায় নিজেদের উদ্যোগে তা সংস্কার করতে হয়েছে। প্রশাসনের দেওয়ার কথা থাকলেও সফটওয়্যার তাঁরা নিজেদের অর্থে কিনেছেন। কর্মচারীদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও উদ্যোক্তাদের নিজেদের অর্থে কিনতে হয়েছে।
সানোয়ারুল হকের অভিযোগ, সাবেক জেলা প্রশাসক তানভীর আহমেদ চলে যাওয়ার পর বাজার পরিচালনায় প্রশাসনের অসহযোগিতা বেড়ে যায়। জনতার বাজারের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মাহাবুব উল্লাহ মজুমদারের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা চাইতে গেলে তাঁরা ‘আমলাতান্ত্রিক জটিলতায়’ পড়তেন।
বাজারসংলগ্ন এলাকায় গরুর হাট বসানোর দায়ও উদ্যোক্তাদের ওপর চাপানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের দায়িত্ব ছিল নির্দিষ্ট একটি শেডের কার্যক্রম পরিচালনা করা। শেডের বাইরে কী হয়েছে, তার দায় উদ্যোক্তাদের ওপর দেওয়া সংগত নয়।
চুক্তি বাতিলের চিঠি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন উদ্যোক্তারা। তাঁদের দাবি, ১২ জুলাই তাঁদের হাতে চিঠি দেওয়া হলেও তাতে ৩০ জুলাইয়ের তারিখ উল্লেখ ছিল। আবার ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে হিসাবপত্র বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছিল।
