একদিনে ডেঙ্গুতে ৪ মৃত্যু


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১ হাজার ১৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। আগস্টে রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ১ হাজার ১৬৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ।

এর আগে চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, সবশেষ চারজনসহ চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৭ জনে।

আগস্ট মাস শেষ হতে একদিন বাকি থাকতেই এ মাসে সর্বোচ্চ ৪৩ জনের মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে। এর আগে জুলাই মাসে ডেঙ্গুতে ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

চলতি আগস্টে এ পর্যন্ত ২০ হাজার ৫৩৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগে জুলাই মাসে ভর্তি হয়েছিলেন ৯ হাজার ২০৬ জন। সে হিসাবে এক মাসের ব্যবধানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। বছরের প্রথম সাত মাসের তুলনায়ও আগস্টে রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৮২ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১২৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৯ জন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৮৩ জন, বরিশালে ১৩২ জন, চট্টগ্রামে ১২০ জন, রাজশাহীতে ৮৭ জন, ময়মনসিংহে ৬৯ জন, রংপুরে সাতজন এবং সিলেটে একজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ১৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৮৪৬ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩৩ হাজার ২০৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য সংরক্ষণ করছে।

এ পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায় ২০২৩ সালে। সে বছর ডেঙ্গুতে ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হন এবং ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়।

গত বছর ডেঙ্গুতে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় এবং শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২ হাজার।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *