একাদশে ভর্তির খসড়া নীতিমালায় কী আছে, দেখে নিন একনজরে


চলতি শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির খসড়া নীতিমালা প্রস্তুত করেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। সেটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় এ খসড়া প্রস্তাব যাচাই-বাছাই শেষে নীতিমালা আকারে জারি করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা পড়া খসড়া নীতিমালার কপি জাগো নিউজের হাতে এসেছে। ওই খসড়া অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে। এ প্রক্রিয়া চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এরপর ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশের ক্লাস শুরু হবে। এবারও শিক্ষার্থীদের পছন্দ পরিবর্তন বা মাইগ্রেশনের সুযোগ থাকবে।

ভর্তির আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ভর্তিচ্ছু সব শিক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে, তাদেরও এ সময়ের মধ্যে একাদশে ভর্তির আবেদন করতে হবে।

পুনর্নিরীক্ষণের ফল পরিবর্তন হলে নতুন সুযোগ

পুনর্নিরীক্ষণে যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হবে, তারা ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নতুন করে আবেদন করার সুযোগ পাবে। এরপর আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে ২০, ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

একাদশের ক্লাস শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর

ভর্তি কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো কলেজ বা মাদরাসায় ভর্তি হতে না পারা শিক্ষার্থী, প্রত্যাশিত প্রতিষ্ঠান না পাওয়া শিক্ষার্থী কিংবা কোনো কারণে আবেদন করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্যও পরবর্তী সময়ে আবেদনের সুযোগ রাখা হচ্ছে।

ফল পুনর্নিরীক্ষণে প্রায় ১৩ লাখ আবেদন

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য ৪ লাখের বেশি পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৫৬টি আবেদন করেছে। এর মধ্যে ১০ লাখ ৫৬ হাজারের বেশি আবেদন করা হয়েছে লিখিত (তত্ত্বীয়) পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য। অন্যদিকে ব্যবহারিক পরীক্ষার খাতার জন্য আবেদন পড়েছে ২ লাখ ৩১ হাজারের বেশি।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন। অর্থাৎ প্রায় ৭ লাখ পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

২৫ লাখ আসন, খালি থাকতে পারে অর্ধেকের বেশি

দেশের কলেজ ও মাদরাসা মিলিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন রয়েছে প্রায় ২৫ লাখ। ফলে এবার মোট আসনের অর্ধেকের বেশি খালি থাকার আশঙ্কা রয়েছে।

তবে আসন বেশি থাকলেও জিপিএ-৫ পাওয়া সব শিক্ষার্থী পছন্দের প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবে না। কারণ, তুলনামূলক ভালো ও জনপ্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আসনসংখ্যা সীমিত।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন।

এএএইচ/এমএমকে

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *