এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হত্যা: বাসচালকসহ গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে উদ্ধার হওয়া ইসমাইল হোসেন হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১। এ ঘটনায় বাসটির সুপারভাইজার সাজু ও হেলপার মনিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাত র্যাব-১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম বিষয়টি জানিয়েছেন।
র্যাব জানায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আঙুলের ছাপের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভান্ডারে থাকা তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
নিহতের নাম ইসমাইল হোসেন (৫০)। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন ইসমাইল। পথে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর মরদেহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব-১। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে ডিএমপির বনানী থানাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে বাসটির সুপারভাইজার সাজু ও হেলপার মনিরকেও গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: সিরাজগঞ্জ-হ-১১-০০৮৫) জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার সোহেল রানাকে ডিএমপির বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
