এক দফার ঘোষণার আগে নাছিরের মাধ্যমে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়
এক দফার ঘোষণার আগে নাছিরের মাধ্যমে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়
রাজনীতি
জার্নাল ডেস্ক
২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের উত্তুঙ্গ মুহূর্ত। ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শিক্ষার্থী-শিক্ষক, শিল্পী, পেশাজীবীসহ হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে সেদিন তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের পতন ও ফ্যাসিবাদের বিলোপের এক দফা দাবি ঘোষণা করেছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নম্বর সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম (বর্তমানে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ)। এর দুই দিনের মাথায় ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এবার এক দফার সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া নিয়ে নিজের ভাষ্য তুলে ধরেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে ৯ দফা দাবি ঘোষণা করে আলোচনায় আসা সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের।
সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে ‘ঐতিহাসিক এক দফার নেপথ্যের ইতিহাস’ শিরোনামে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি আন্দোলনের ওই সময়ের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা দেন।
পোস্টে আব্দুল কাদের বলেন, এক দফার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। এর অংশ হিসেবে ছাত্রদলের রাকিব ও নাছিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আব্দুল কাদেরের ভাষ্য অনুযায়ী নাছিরকে এক দফার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, তাহলে এই ব্যাপারটা আমি চেয়ারম্যান স্যারের (তারেক রহমান) সঙ্গে আলাপ করে নেই। পরে রাতের দিকে নাছির তাকে জানান, ‘এক দফা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেটা চেয়ারম্যান স্যারও জানিয়েছেন। তোমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারো’—এমন দাবি করেন আব্দুল কাদের।
তিনি আরও বলেন, এক দফা ঘোষণার বিষয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দলের সঙ্গে আলোচনা করে ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছিলেন। এরপর ঘোষণাপত্র প্রস্তুত ও তা নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হয়।
আব্দুল কাদের তার পোস্টে দাবি করেন, ওই সময় মাঠের পরিস্থিতি, চলমান সহিংসতা এবং সম্ভাব্য প্রাণহানির বিষয় বিবেচনায় তিনি দ্রুত এক দফার ঘোষণার পক্ষে ছিলেন।
তিনি বলেন, এক দফা ঘোষণার আগে সমন্বয়কদের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য ছিল। তবে তার লক্ষ্য ছিল আন্দোলনের পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।
পোস্টে আব্দুল কাদের আরও দাবি করেন, এক দফা ঘোষণার বিষয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হলেও কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের চাপ বা নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-103843996-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
(function(i,s,o,g,r,a,m){i[‘GoogleAnalyticsObject’]=r;i[r]=i[r]||function(){
(i[r].q=i[r].q||[]).push(arguments)},i[r].l=1*new Date();a=s.createElement(o),
m=s.getElementsByTagName(o)[0];a.async=1;a.src=g;m.parentNode.insertBefore(a,m)
})(window,document,’script’,’https://www.google-analytics.com/analytics.js’,’ga’);
ga(‘create’, ‘UA-115090629-1’, ‘auto’);
ga(‘send’, ‘pageview’);
_atrk_opts = { atrk_acct:’lHnTq1NErb205V’, domain:’bd-journal.com’,dynamic: true};
(function() { var as = document.createElement(‘script’); as.type=”text/javascript”; as.async = true; as.src=”https://certify-js.alexametrics.com/atrk.js”; var s = document.getElementsByTagName(‘script’)[0];s.parentNode.insertBefore(as, s); })();

