এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় ৬০০ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদনক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ স্থাপিত হয়েছে। তার মধ্যে বেশির ভাগই রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে।


সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সঙ্গে যুক্ত একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা জানান, শিল্পকারখানার ছাদে সৌরবিদ্যুতের যতগুলো বড় প্ল্যান্ট হয়েছে, তার অধিকাংশই হয়েছে গত দুই বছরে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন শিল্পকারখানায় ৬০০ মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদনক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপিত হয়েছে। তার মধ্যে বেশির ভাগই রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাকশিল্পে।

যদিও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ–শিল্পের বিদ্যুতের পুরো চাহিদা পূরণ করতে পারে না। তবে কারখানার তিন–চার ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে কারখানার মোট বিদ্যুৎ–চাহিদার ৫-১৫ শতাংশ পর্যন্ত পূরণ হয়। যদিও কারখানাভেদে এই হার বেশিও হয়। ফলে দিনের বেলায় জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুতের ওপর চাপ কিছুটা হলেও কমাতে পেরেছে এসব শিল্পকারখানার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ—এমনটাই জানান সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত শিল্পের কর্তাব্যক্তিরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আবুল খায়ের স্টিল, ওয়ালটন, হা-মীম গ্রুপ, প্রাণ–আরএফএল গ্রুপ, বিএসআরএম, ইয়ংওয়ান গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই), প্যাসিফিক জিনস গ্রুপ, টিম গ্রুপ, ডিবিএল গ্রুপ, রাইজিং গ্রুপ, ঊর্মি গ্রুপ, মাইক্রোফাইবার গ্রুপ, পলমল গ্রুপ, অ্যাপেক্স ফুটওয়্যার, কর্ণফুলী শু ইন্ডাস্ট্রিজ, মাসকো গ্রুপসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে তাদের কারখানায় বিভিন্ন ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট স্থাপন করেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *