‘কে জানত, সেটিই হবে শেষ দেখা!’—ফ্রান্সে বিস্ফোরণে নিহত শিশুর স্বজনের আহাজারি
আজ সোমবার সকালে কাটখাল গ্রামে নাহিলদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, পুরো বাড়িতে নীরবতা, স্বজনদের চোখেমুখে বিষাদের ছাপ। প্রতিবেশীরাও এসে পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। নাহিলের দাদা-দাদি কেউই এখন বেঁচে নেই। গ্রামের বাড়িতে আছেন তাঁর এক চাচা-চাচি ও চার চাচাতো ভাই-বোন।
নাহিলের চাচা ফরিদ মিয়া পুকড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি বলেন, তাঁর ভাই রাসেল মুঠোফোনে জানিয়েছেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নাহিলের মরদেহ ফ্রান্সেই দাফন করা হবে। তবে এখনো মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি।
ফরিদ মিয়া বলেন, ‘ওই রাত থেকে আমরা শুধু নাহিলের খবরের অপেক্ষায় ছিলাম। বারবার মনে হচ্ছিল, হয়তো ওকে জীবিত উদ্ধার করা হবে। কিন্তু পরে যখন জানতে পারলাম, নাহিল আর বেঁচে নেই—তখন আর কিছু বলার মতো ছিল না।’
