চাইলেই কাল সকালে বিদ্যুৎ আর গ্যাস দিতে পারব না
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী: বাংলাদেশে তো বিনিয়োগ হয়েছে। বাংলাদেশিরা করেছে, বিদেশিরাও করেছে। তবে পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি থেকে বের হয়ে না এলে সত্যিকারের বিনিয়োগকারী কেউ এখানে আসবে না। সেই পরিবেশটা আমরা সৃষ্টি করতে পেরেছি। আমাদের স্পষ্ট বার্তা হচ্ছে—এখন আর পৃষ্ঠপোষকতার কিছু থাকবে না। অর্থনীতি, ব্যবসা–বাণিজ্যে যাতে সবাই অংশগ্রহণ করতে পারেন, সবাই অর্থনীতির সুফল পান, সে পরিবেশ তৈরি করেছি ও আরও করব। এমনকি শেয়ারবাজারেও যে বড় ধরনের সমস্যা ছিল, দুর্নীতি ও লুটপাট ছিল, এগুলো আর হবে না। এটা তো ক্যাসিনোর মতো হয়ে গিয়েছিল। ক্যাসিনোতে তো কোনো ভালো কোম্পানি যাবে না। এখন আমরা যে পরিবেশ সৃষ্টি করেছি, নতুন কমিশন গঠন করেছি এবং এই কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। ইতিমধ্যে দেখবেন শেয়ারবাজার কিন্তু ঊর্ধ্বগতির দিকে যাচ্ছে। নতুন নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য উৎসাহিত হচ্ছে। আরেকটা বিষয় আছে এখানে। ব্যাংক খাতের সঙ্গে শেয়ারবাজারের একটা সংযোগ আছে। শেয়ারবাজারটা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল বিগত দিনে। সবাইকে বাধ্য করা হয়েছিল ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে। এটা হয় না। এত বড় বড় ঋণ, এত উচ্চ সুদে—এটা কীভাবে সম্ভব? ব্যাংকগুলো স্বল্প সময়ের জন্য আমানত নিয়ে লম্বা সময়ের জন্য ঋণ দিয়েছে। এটা তো হওয়ার কথা না। বৃহৎ অর্থায়নের জায়গা হচ্ছে শেয়ারবাজার। ব্যাংক দেবে চলতি মূলধন।
