চুয়েটে ১৬ দিনে পানিতে ডুবে তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যু, পুকুরের নকশা ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন


পুকুরটির প্রকৃত গভীরতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রনি দের দাবি, পুকুরটির গভীরতা ৮ থেকে সাড়ে ৮ ফুট। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুকুরের বিভিন্ন অংশে গভীরতা ১০ থেকে ১২ ফুট। অর্থাৎ নকশায় উল্লেখ করা গভীরতার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই। পাড় থেকে অল্প দূরত্বেই গভীর পানিতে পৌঁছানোর সুযোগ থাকলেও পুকুরের আশপাশে গভীর বা ঝুঁকিপূর্ণ অংশ চিহ্নিত করে কোনো দৃশ্যমান নির্দেশনাও ছিল না।

পুকুরটির নকশা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের প্রধান অধ্যাপক দেলোয়ার হোসাইন প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুরো প্রকল্প এলজিইডি দেখভাল করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মাঝেমধ্যে পরিদর্শন করেছে।’

অনুমোদনের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সহযোগী অধ্যাপক তারেকুল আলম বলেন, প্রকল্প শুরুর সময় তিনি প্রকৌশল দপ্তরের দায়িত্বে ছিলেন না। তাঁর মতে, ‘তখন যিনি দায়িত্বে ছিলেন, তিনি হয়তো সবকিছু বুঝেই এই কাজের অনুমোদন দিয়েছেন।’

তবে রাউজানের উপজেলা প্রকৌশলী মিজানুর রহমান দাবি করেন, ‘নকশায় কোনো সমস্যা নেই। ১: ২ ঢাল রাখায়ও সমস্যার কিছু নেই।’ অন্যদিকে চুয়েটের প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রনি দে বলেন, ‘১: ৩ বা ১: ৪ ঢাল দিলে নির্মাণ ব্যয় বেশি হতো। বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ করেই ১: ২ ঢাল বেছে নেওয়া হয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *