চেয়ারম্যানের আশ্বাসে প্রথম সংসার ছেড়ে বিপাকে শিক্ষিকা


গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বিয়ের আশ্বাসে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাত ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা করেছেন প্রাথমিকের এক সহকারী শিক্ষিকা।

গত মঙ্গলবার ভুক্তভোগীর অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন আদালত। তবে বিষয়টি জানাজানি হয়েছে শুক্রবার (২৮ আগস্ট)। সাদুল্লাপুর থানার ওসি এ কে এম হাবিবুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হওয়ার সুবাদে চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের সঙ্গে ওই শিক্ষিকার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চেয়ারম্যান একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিয়ের কথা বললে বিভিন্ন কৌশলে তা এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এজাহারে আরো বলা হয়, চেয়ারম্যানের সহযোগী ছালেহীন আকন্দ গোপনে ছবি তুলে তা বিকৃত করার ভয় দেখিয়ে শিক্ষিকাকে ব্ল্যাকমেইল করেন। এ ছাড়া বিয়ের খরচের কথা বলে বাদীর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী বলেন, শুধু ধর্ষণ বা অর্থ আত্নসাত নয়; চেয়ারম্যানের বিয়ের আশ্বাসে তিনি তার প্রথম সংসার ভেঙে দিয়েছেন। ওই সংসারে তার দুইটি সন্তান রয়েছে। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে তিনি প্রথমে থানায় যান। তবে, মামলা না নিয়ে অভিযোগ হিসেবে নেওয়া হয়। এর প্রেক্ষিতে ১৬ আগস্ট আদালতের শরণাপন্ন হন ভুক্তভোগী। শুনানি শেষে আদালত থানাকে অভিযোগটি মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলামের মোবাইলে ব্যবহৃত নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

ওসি এ কে এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণ, প্রতারণাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান ছাড়াও তার সহযোগী ছালেহীন আকন্দকে আসামি করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *