জার্মানিতে কট্টর ডানপন্থীদের জয়, ইউরোপ কি পালাবদলের পথে


ফ্রান্স নিয়ে মধ্যপন্থীদেরও উদ্বেগ কম নয়। দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ আগামী বসন্তে দায়িত্ব ছাড়বেন। দেশটির প্রধান কট্টর ডানপন্থী দল ন্যাশনাল র‌্যালির প্রার্থী মারিন লো পেন প্রথম দফার জনমত জরিপে বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন। সাম্প্রতিক কয়েকটি দ্বিতীয় দফার জরিপেও তিনি প্রথম হয়েছেন।

লো পেন ১৪ বছর ধরে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হওয়ার চেষ্টা করছেন। এবার তিনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ক্ষমতার বেশি কাছে পৌঁছে গেছেন।

মুজতবা রহমানের মতে, প্যারিসে কট্টর ডানপন্থী সরকার গঠিত হলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এমনভাবে অস্থিতিশীল হয়ে পড়তে পারে, যা অন্য কোনো দেশের নির্বাচনের ফলে হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারণ, ফ্রান্স একটি বড় দেশ। তার পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এবং ইউরোপীয় প্রকল্পের প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলোর একটি এটি।

ফ্রান্সে কট্টর ডানপন্থীরা ক্ষমতায় এলে তথাকথিত ‘কর্দোঁ সানিতের’ নীতিরও অবসান ঘটতে পারে। এই নীতির কারণে ফ্রান্স ও জার্মানির মূলধারার দলগুলো এত দিন কট্টর ডানপন্থীদের সঙ্গে জোট বা সরকার গঠনে অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ফরাসি ও ইউরোপীয় রাজনীতির অধ্যাপক ফিলিপ মারলিয়ের বলেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে দুই দেশেই যে ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য টিকে ছিল, তা এখন ভেঙে পড়ার মুখে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *