তামিমের পর থিতু নন কেউ, ৪ বছর ধরে নেই সেঞ্চুরি—কোন গোলকধাঁধায় বাংলাদেশের ওপেনিং
এই সংকটকে সঙ্গী করেই অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছে বাংলাদেশ। প্যাট কামিন্স-মিচেল স্টার্ক-জশ হ্যাজলউডদের গতি আর বাউন্স সামলাতে ওপেনারদের যে হিমশিম খেতে হবে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে দলের ভেতরেও। দেশ ছাড়ার আগের সংবাদ সম্মেলনে তা স্বীকার করে গেছেন টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেনও।
তবে নাজমুল ওপেনারদের চ্যালেঞ্জের কথাটাও মনে করিয়ে দিয়ে গেছেন গত পরশু, ‘ওপেনিং নিয়ে অনেক কথা হয়; কারণ, ও রকম ধারাবাহিক পারফর্ম তারা করে না। তবে ওপেনিং পজিশনটাও অনেক কঠিন, এটাও বুঝতে হবে। সব সময় অনেক চ্যালেঞ্জ থাকে। কখনো দিনের ৫ ওভার বাকি তখন নামতে হচ্ছে, আবার কখনো ভেজা উইকেটে ব্যাটিং করতে হচ্ছে।’
সেই চ্যালেঞ্জ সামলানোর জন্য ওপেনারদের অবশ্য চেষ্টার ঘাটতি দেখেন না নাজমুল। সব দলের ওপেনারদের জন্যই এখন টেস্ট সত্যিকারের পরীক্ষা নিয়ে হাজির হয়। পেসারদের বৈচিত্র্যের কারণে গতি, সুইং আর বাউন্স সবকিছুই সামলে নিতে হয় তাঁদের। সময়ের সঙ্গে বাকি ব্যাটসম্যানদের জন্য তা সহজ হয়। ওপেনিংয়ে কাজটা তাই কঠিন, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই।
কিন্তু তাঁরা যদি শুরুর ওই সময়টুকু পার করে দলকে একটা ভালো রানের ভিত গড়ে দিয়ে যেতে না পারেন—ওই টেস্টে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে যায় পরের সময়। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার সিরিজে তাই ওপেনারদের ফর্মে ফেরার দিকে তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশও।
