নগরের তেরোখাদিয়া এলাকার ওই স্টেডিয়ামটিতে প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে এখন রং করা, নতুন রাস্তা নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এ কাজ করছে।
মোজাদ্দেদ জামানী বলেন, ‘আমি এ অনিয়মের তদন্ত চাই।’
রঙের এই কাজের সাব ঠিকাদার ফজলে রাব্বি খান বলেন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে কাজটি পেয়েছেন অন্য ঠিকাদার। তিনি সেই ঠিকাদারের কাছ থেকে কাজ নিয়েছেন। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘যে রং তাঁরা দিচ্ছেন সেটি বার্জারের চেয়ে ভালো। বিভিন্ন কোম্পানির প্রতিনিধিরা ঘুরঘুর করেন। তাঁদের কিছু রং না নিলে তাঁরা মন খারাপ করেন। এ জন্য অল্প কিছু রং অন্য কোম্পানির নিতে হয়েছে।’
মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) এ বি এম এহছানুল মামুন গতকাল বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি প্রকৌশলী মোখলেসুরকে নির্দেশ দিয়েছেন, স্টেডিয়ামে গিয়ে নিম্নমানের কাজের অংশ ঠিক করে তাঁকে যেন রিপোর্ট দেন। তাঁরা এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
